প্রতিদিন বিনামূল্যে মক টেস্ট ও বিভিন্ন ধরণের নোটস-এর জন্য আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপ ও ফেসবুক পেজে যুক্ত হয়ে যাও । 


All NotesNotes

পঞ্চায়েত রাজ ব্যবস্থা । Panchayati Raj । পঞ্চায়েত ব্যবস্থা । পঞ্চায়েতি রাজ

Panchayati Raj System in India

পঞ্চায়েত রাজ ব্যবস্থা । Panchayati Raj । পঞ্চায়েত ব্যবস্থা । পঞ্চায়েতি রাজ

আজকে আমরা আলোচনা করবো ভারতের পঞ্চায়েত রাজ ব্যবস্থা / Panchayati Raj / পঞ্চায়েত ব্যবস্থা /পঞ্চায়েতি রাজ নিয়ে।পঞ্চায়েত শব্দটির উৎপত্তি পাঁচ বা পঞ্চ থেকে। প্রাচীন ভারতের পাঁচজন সদস্য নিয়ে স্বশাসিত ও স্বনির্ভর গ্রামীণ পরিষদ গঠিত হতো যাকে বলা হতো পঞ্চায়েত।

আধুনিক যুগে গ্রামকে কেন্দ্র করে যে প্রশাসনিক, জনকল্যাণমূলক, বিচার সংক্রান্ত্র এবং জনপ্রতিনিধিমূলক গ্রামীণ স্বায়ত্ব শাসন ব্যবস্থা গঠন করা হয়, তাকেই পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বা পঞ্চায়েত রাজ বলা হয়ে থাকে।

পঞ্চায়েতি ব্যবস্থা তৃণমূল স্তরে জনসাধারণের যােগদান নিশ্চিত করে।

দেখে নাওভারতীয় সংবিধানের জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত ব্যবস্থাদি – PDF

পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সৃষ্টির ইতিহাস

১৯৫৬ সালে ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কাউন্সিল বলবন্ত রাই মেহতার নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে। তিনি তার রিপাের্ট ১৯৫৭ সালে পেশ করেন, যাতে নিম্নলিখিত সুপারিশগুলি করা হয়।

(১) একটি ত্রিস্তর কাঠামাে-জেলা স্তরে জেলা পরিষদ, ব্লক স্তরে পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রামস্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত।
(২) এই সংস্থাগুলিতে পূর্ণক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ।
(৩) তাদের উপযুক্ত অর্থ ও অন্যান্য সম্পদ প্রদান।
(৪) সমস্ত সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন তাদের মাধ্যমে করা।

উক্ত ত্রিস্তর পঞ্জায়েতি রাজ ব্যবস্থা প্রথম ১৯৫৯ সালের ২রা অক্টোবর রাজস্থান (নাগাউর জেলা) গ্রহণ করেছিল। পরবর্তীকালে অন্ধ্রপ্রদেশ, বিহার, গুজরাট, হিমাচল প্রদেশ, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল।

দেখে নাওভারতের বিভিন্ন রাজ্যের হাইকোর্ট – PDF

ত্রিস্তর ব্যবস্থা বিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থা

এই ব্যবস্থায় গ্রামস্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত, ব্লক স্তরে পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা স্তরে জেলা পরিষদ রয়েছে।

গ্রাম পঞ্চায়েত  (Village Panchayat)

একটি মৌজা বা পাশাপাশি কতগুলি মৌজা নিয়ে গ্রাম গঠিত হয়। এরূপ প্রতিটি গ্রামে একটি গ্রাম পঞ্চায়েত থাকে। গ্রাম পঞ্চায়েত একটি যৌথ সংস্থা।

ভারতীয় সংবিধানের ১১তম তফসিল পঞ্চায়েত ব্যবস্থা সম্পর্কিত ।

দেখে নাও : ভারতীয় সংবিধানের তফসিল তালিকা

গ্রাম পঞ্চায়েতের গঠন

  • জনসাধারণের মধ্যে থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত।
  • সদস্য সংখা ৫ থেকে ৩১ এর মধ্যে থাকে। ভোটদাতার সংখ্যা অনুযায়ী গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়।
  • তপশিল জাতি ও উপজাতি এবং মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষিত থাকবে।
  • সদস্যদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। চেয়ারম্যানকে প্রধান বা ‘সরপঞ্জ’ বলা হয়।
  • পঞ্চায়েত তার সমস্ত কাজের জন্য গ্রামসভার কাছে দায়বদ্ধ থাকে। এই গ্রামসভা হল গ্রামবাসীদের সাধারণ সংস্থা (জেনারেল বডি)।
  • একটি পঞ্চায়েত এলাকায় বসবাসকারী সমস্ত প্রাপ্তবয়স্ক মানুষদের নিয়ে গ্রামসভা গঠিত হয়।
  • এটি পঞ্চায়েতের কাজকর্মের উপর সাধারণ তত্ত্বাবধান বজায় রাখে এবং প্রয়ােজনীয় পথনির্দেশ করে।
  • গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যদের কার্যকালের মেয়াদ পাঁচ বছর।

গ্রাম পঞ্চায়েতের আয়ের উৎস

  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত আর্থিক সাহায্য ও অনুদান।
  • জেলাপরিষদ, পঞ্চায়েত সমিতি এবং অন্যান্য স্বত্বশাসন প্রতিষ্ঠান থেকে সাহায্য।
  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ।
  • সংগৃহিত কর।

 দেখে নাওভারতের অ্যাটর্নি জেনারেল তালিকা ২০২১ – ; Attorney General of India

গ্রাম পঞ্চায়েতের কার্যাবলী ও কর্তব্য

গ্রাম পঞ্চায়েতের কার্যাবলী ও কর্তব্যকে তিনটি ভাবে ভাগ করা যায়।

(১) অবশ্যপালনীয় কর্তব্য
(২) ইচ্ছাধীন কর্তব্য
(৩) অন্যান্য কর্তব্য

অবশ্যপালনীয় কর্তব্য

  • জনস্বাস্থ্য সংরক্ষণ, আবর্জনা অপসারণ, জল নিষ্কাশন এবং অপরিচ্ছন্নতা নিবারণ
  • ম্যালেরিয়া, বসন্ত, কলেরা রােগ ও অন্যান্য সংক্রামক রােগ নির্ধারণ করা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা করা
  • পানীয় জল সরবরাহ, জলাধার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা
  • সাধারণের ব্যবহৃত রাস্তা তৈরি করা, সংরক্ষণ করা এবং মেরামত করা
  • স্বেচ্ছাশ্রম সংগঠিত করা
  • কর আরােপ ও আদায় করা
  • উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ চাইলে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করা।

দেখে নাওভারতীয় নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সমূহ  – PDF 

ইচ্ছাধীন কর্তব্য

  • রাস্তায় আলাের ব্যবস্থা করা
  • কুয়াে, পকুর ও জলাশয় খনন করা
  • সমন্বয়মূলক চাষ, দোকান ও ব্যবসার প্রবর্তন
  • বাজার, হাট ও মেলা স্থাপন
  • সরকারি ঋণ, বণ্টন ও পরিশােধের ব্যাপারে সাহায্য

অন্যান্য কর্তব্য

  • প্রাথমিক, সামাজিক, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক তথা প্রথাবহির্ভূত শিক্ষার ব্যবস্থা
  • গ্রামীণ ঔষধালয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং মাতৃমঙ্গল ও শিশুমঙ্গল প্রতিষ্ঠান স্থাপন
  • খেয়াঘাট নিয়ন্ত্রণ
  • গবাদিপশুর উন্নততর প্রজনন ব্যবস্থা করা
  • ক্ষুদ্র সেচ ও জলবিভাজিকার উন্নতিসাধন

পঞ্চায়েত ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু গুরুত্বপূর্ণ কমিটি

  • বলবন্ত রাই মেহতা কমিটি
  • অশোক মেহতা কমিটি
  • জি ভি কে রাও কমিটি
  • এল এম সিংভি কমিটি

দেখে নাও : গুরুত্বপূর্ণ কমিটি ও কমিশন । Important Committees and Commissions

ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতি

ত্রিস্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থার দ্বিতীয় স্তর হল পঞ্চায়েত সমিতি। প্রতিটি জেলাকে কয়েকটি ব্লকে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি ব্লক স্তরে একটি করে পঞ্চায়েত সমিতি থাকে। প্রতিটি ব্লকের নামানুসারে পঞ্চায়েত সমিতির নামকরণ করা হয়। পঞ্চায়েত সমিতি একটি যৌথ সংস্থা – ব্লক উন্নয়নের সার্বিক দায়িত্ব পঞ্চায়েত সমিতির ওপর ন্যস্ত।

পঞ্চায়েত সমিতির গঠন

  • একটি ব্লক যা পঞ্চায়েত সমিতির মাধ্যমে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা চালনা করে যেখানে ২০-৬০ জন গ্রামবাসী অংশগ্রহণ করে।
  • এই পঞ্চায়েত সমিতি গ্রাম পঞ্চায়েতের পরােক্ষভাবে নির্বাচিত সদস্যদের নিয়ে গঠিত।

পঞ্চায়েত সমিতির আয়ের উৎস

  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের কাছ থেকে প্রাপ্ত সাহায্য ও অনুদান,
  • রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ভূমি রাজস্বের অংশ,
  • জেলাপরিষদ এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত সাহায্য ও অনুদান,
  • কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার প্রদত্ত ঋণ,
    সমিতির নিজ সম্পত্তির জামিনে সংগৃহীত ঋণ।

পঞ্চায়েত সমিতির কার্যাবলী ও কর্তব্য

  • কৃষি, গবাদিপশু, কুটিরশিল্প, সমবায় আন্দোলন, গ্রামীণ ঋণদান, জলসরবরাহ, জনস্বাস্থ্য, হাসপাতাল ও ঔষধালয় স্থাপন,  যানবাহন, প্রাথমিক ও বয়স্কশিক্ষা, ছাত্রকল্যাণ, সমাজকল্যাণ ইত্যাদি কার্যাবলীর প্রসার ও উন্নয়ন এবং এই উদ্দেশ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ ও অর্থ সাহায্য করা
  • রাজ্য সরকার বা কোন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত হয়ে কোন কার্যক্রম বা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করা
  • জনহিতকর কার্য পরিচালনা এবং জেলাপরিষদের পরিচালনাধীন প্রতিষ্ঠানগুলি দেখাশনা করা
  • জেলাপরিষদ ও গ্রাম পঞ্চায়েতকে আর্থিক সাহায্য করা
  • অসুস্থ ও আর্তদের ত্রাণের ব্যবস্থা করা।

দেখে নাও : মৌলিক কর্তব্য | Fundamental Duties । মৌলিক দায়িত্বসমূহ

জেলা পরিষদ

এটি ত্রিস্তর কাঠামাের সর্বোচ্চ স্তর।

জেলা পরিষদের গঠন

  • জেলার অধীনে যে সকল পঞ্চায়েত সমিতি রয়েছে তার সভাপতির পদাধিকারবলে জেলাপরিষদের সদস্য হন।
  • মন্ত্রীরা ছাড়া জেলা থেকে নির্বাচিত বিধানসভা ও লোকসভার সকল সদস্য জেলাপরিষদের সভাপতি হন।
  • মন্ত্রী ছাড়া জেলায় বসবাসকারী রাজ্যসভার সদস্যরা জেলাপরিষদের সদস্য হন।
  • নিজেদের সদস্যদের মধ্য থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচন হয়। চেয়ারম্যানকে  ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টর বলা হয়।

জেলা পরিষদের আয়ের উৎস

প্রতিটি জেলাপরিষদে নামাঙ্কিত একটি তহবিল থাকে। জেলাপরিষদের সকল আয় ওই তহবিলে জমা পড়ে। জেলাপরিষদের আয়ের উৎস হল –

  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সাহায্য ও অনুদান
  • রাজ্য সরকার কর্তৃক ভূমি রাজস্বের অংশ
  • কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকার কর্তৃক প্রদত্ত ঋণ এবং পরিষদের সম্পত্তির জামিনে প্রাপ্ত ঋণ
  • রাস্তা কর এবং জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে আয়
  • জেলাপরিষদের মালিকানাভুক্ত বা নিয়িন্ত্রিত বিদ্যালয়, হাসপাতাল, ঔষধালয়, ঘরবাড়ি, অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং পূর্ত প্রকল্প থেকে আয়।

জেলা পরিষদের কার্যাবলী ও কর্তব্য

  • কৃষি, গবাদিপশু, শিল্প, সমবায় আন্দোলন, গ্রামীণ ঋণ, জলসরবরাহ, সেচ ও জনসাস্থ্য, হাসপাতাল, ঔষধালয়, যাতায়াত ব্যবস্থা, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও বয়স্কশিক্ষা, ছাত্রকল্যাণ, সমাজকল্যাণ এবং অন্যান্য জনহিতকর কাজকর্মের জন্যে পরিকল্পনা ও আর্থিক সাহায্য দান।
  • রাজ্যসরকার কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন এবং কাজকর্ম সম্পন্ন করা
  • জেলাপরিষদের নিজের মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানগুলি পরিচালনা করা
  • জেলার বিদ্যালয়, সাধারণ পাঠাগার ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানকে অর্থ সাহায্য করা
  •  কারিগরি ও প্রযুক্তিগত শিক্ষাব্যবস্থা প্রসারে ছাত্রবৃত্তির ব্যবস্থা করা
  • গ্রামীণ হাট-বাজার অধিগ্রহণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।

পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা

  • ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রবর্তনের চেষ্টা শুরু হয়।
  • ১৯৫৭ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে সর্বপ্রথম পঞ্চায়েত আইন বিধিবদ্ধ করা হয়।
  • ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দে জেলাপরিষদ আইন গৃহীত হয়। ১৯৫৭ এবং ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দের আইন অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নিম্নলিখিত চারটি স্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় –
    • গ্রাম পর্যায়ে গ্রাম পঞ্চায়েত
    • ইউনিয়ন বাের্ড স্তরে অঞ্চল পঞ্চায়েত
    • ব্লক পর্যায়ে আঞ্চলিক পরিষদ
    • জেলা স্তরে জেলা পরিষদ।

১৯৯২ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৭৩ তম সংশােধনী সংশোধনী দ্বারা ত্রিস্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয় ।

দেখে নাওভারতের সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ সংবিধান সংশোধনী তালিকা – PDF

  • ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে একটি নতুন পঞ্চায়েত আইন বিধিবদ্ধ করা হয়। এই আইনের দ্বারা পশ্চিমবঙ্গে চারটি স্তরের পরিবর্তে ত্রিস্তরবিশিষ্ট পঞ্চায়েত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। এই তিনটি স্তর হল –
    • গ্রাম স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েত
    • ব্লক স্তরে পঞ্চায়েত সমিতি
    • জেলা স্তরে জেলাপরিষদ।
  • ভারতের সংবিধানের ৭৩ তম সংশােধনী এবং ওই সংশােধনীর সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ১৯৯২, ১৯৯৪ এবং ১৯৯৭, ২০০৩ এবং ২০০৭ খ্রিস্টাব্দের পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত সংশােধিত আইনের ভিত্তিতে পঞ্চায়েত ব্যবস্থাকে | বিন্যস্ত করা হয়েছে।

দেখে নাওপশ্চিমবঙ্গের ভৌগোলিক স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সামগ্ৰী

Download Section :

File Name : পঞ্চায়েত রাজ ব্যবস্থা । Panchayati Raj । পঞ্চায়েত ব্যবস্থা । পঞ্চায়েতি রাজ – বাংলা কুইজ
File Size : 3.7 MB
No. of Pages : 07
Format : PDF

Click Here to Download

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!