প্রতিদিন বিনামূল্যে মক টেস্ট ও বিভিন্ন ধরণের নোটস-এর জন্য আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপ ও ফেসবুক পেজে যুক্ত হয়ে যাও । 


All NotesNotes

কিছু বিশেষ ধরণের কাঁচ – List of Some Special Glasses – PDF

List of Some Special Glasses

কিছু বিশেষ ধরণের কাঁচ

আজকে আমরা আলোচনা করবো কিছু বিশেষ ধরণের কাঁচ এর নাম ও ব্যবহার নিয়ে। বর্তমানে দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন ধরণের কাঁচের ব্যবহার অপরিসীম। জল খাওয়ার গ্লাস থেকে গাড়ির জানলা, পরীক্ষাগারের টেস্ট টিউব এমনকি মোবাইলের স্ক্রিন, সব জায়গাতেই কোনো না কোনো ধরণের কাঁচ বিদ্যমান। আপাত দৃষ্টিতে সমস্ত কাঁচ একই লাগলেও সেগুলি ব্যবহার ও প্রয়োজন অনুযায়ী ভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। আজকে আমরা দেখে নেবো সেই ধরণের কিছু কাঁচের নাম, তার ধর্ম, রাসায়নিক গঠন ও ব্যবহার সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য।

সোডা গ্লাস

  • এই কাঁচকে কাঁচমল গ্লাস বা নরম গ্লাস ও বলা হয়ে থাকে।
  • এর মধ্যে রয়েছে সােডিয়াম কার্বনেট, ক্যালশিয়াম, কার্বনেট এবং সিলিকা।
  • এটি ভঙ্গুর এবংসস্তা হয়ে থাকে।
  • ব্যবহার : জানলার গ্লাস, বোতল, থালাবাসন, টিউব লাইট এবং গৃহস্থালির বিভিন্ন ছোটোখাটো আসবাব পত্র বানাতে লাগে।

পটাশ গ্লাস

  • এই গ্লাসকে শক্ত গ্লাস ও বলে হয়ে থাকে।
  • এর মধ্যে রয়েছে পটাসিয়াম এবং ক্যালসিয়াম অথবা সিলিকা।
  • এই কাঁচ উচ্চরোধ ও উচ্চ গলনাঙ্ক সম্পন্ন হয়ে থাকে।
  • ব্যবহার : উচ্চ গলনাঙ্ক বিশিষ্ট টেস্টটিউব, বিকার ইত্যাদি প্রস্তুতিতে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ফটোক্রোমাটিক গ্লাস

  • UV আলাের সংস্পশে কালাে হয়ে যায়। কারণ কাঁচের মধ্যে সূক্ষ্ম সিলভার ক্লোরাইড (AgCl2) অনুবিদ্ধ করা হয়।
  • ব্যবহার : চোখের লেন্স ও চশমা তৈরীতে ব্যবহার করা হয়।

পাইরেক্স গ্লাস

  • এর মধ্যে রয়েছে বােরাক্স। এটিকে বোরোসিলিকেট গ্লাসও বলা হয়ে থাকে।
  • ১৯১৫ সালে কর্নিং কোম্পানি এই শুরু করে।
  • উষ্ণতার সাথে এই কাঁচের বিবর্ধন বা পরিবর্তন খুব কম।
  • ব্যবহার : গবেষণাগারে বিভিন্ন উপকরণ তৈরী করতে ব্যবহার করা হয়।

ফ্লিন্ট গ্লাস

  • এর মধ্যে রয়েছে সােডিয়াম, পটাশিয়াম এবং লেড সিলিকেট।
  • এই ধরনের কাঁচের প্রতিসরাঙ্ক বেশি হয়ে থাকে।
  • ব্যবহার : অপটিক্যাল উপকরণ , যেমন – ক্যামেরা, প্রিজম, মাইক্রোস্কোপ, টেলিস্কোপ, ইলেকট্রিক বাল্ব প্রভৃতি প্রস্তুতিতে এই ধরণের কাঁচ ব্যবহার করা হয়।

ক্রাউন গ্লাস

  • এর মধ্যে রয়েছে পটাশিয়ামের অক্সাইড এবং সিলিকেট।
  • এই ধরণের কাঁচের প্রতিসরাঙ্ক অত্যন্ত কম। এই কাঁচের বিচ্ছুরণও কম।
  • ব্যবহার : অপটিক্যাল উপকরণ ও লেন্স তৈরী করতে ব্যবহার করা হয়।

জেনা গ্লাস

  • এই কাঁচের মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সোডিয়াম এবং জিঙ্ক রয়েছে।
  • এই কাঁচ হল পাইরেক্স কাঁচের পূর্বসূরি।
  • ব্যবহার : গবেষণাগারে অ্যাসিড ও ক্ষার রাখার বোতল তৈরী করতে এই কাঁচ ব্যবহার করা হয়।

ক্রুক গ্লাস

  • এই কাঁচের মধ্যে সেরিয়াম অক্সাইড থাকে।
  • এই ধরণের কাঁচ আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি শোষণ করতে পারে।
  • ব্যবহার : অপটিক্যাল লেন্স তৈরী করতে ব্যবহার করা হয়।

লেড ক্রিস্টাল গ্লাস

  • পটাসিয়াম কার্বনেট, লেড অক্সাইড, সিলিকা দিয়ে গঠিত।
  • বিভিন্ন ধরনের অলংকার, দামী জার/ পাত্র তৈরীতে ব্যবহার করা হয়।

কোয়ার্টজ গ্লাস

  • এই কাঁচটিকে সিলিকা গ্লাস ও বলে হয়ে থাকে কারণ সিলিকা গলিয়ে এই কাঁচ তৈরী করা হয়।
  • আলট্রা-ভায়োলেট রশ্মি এই কাঁচের মধ্য দিয়ে অনায়াসে বেরিয়ে আসতে পারে।
  • ব্যবহার : গবেষণাগারের বিভিন্ন উপকরণ ও UV বাল্ব তৈরির কাছে ব্যবহৃত হয়।

আরও দেখে নাও :

Download Section :

  • File Name : কিছু বিশেষ ধরণের কাঁচ – List of Some Speical Glasses – PDF – বাংলা কুইজ
  • File Size : 1.5 MB
  • No. of Pages : 04
  • Format : PDF

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!