প্রতিদিন বিনামূল্যে মক টেস্ট ও বিভিন্ন ধরণের নোটস-এর জন্য আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপ ও ফেসবুক পেজে যুক্ত হয়ে যাও । 


All NotesQuizQuiz

শিক্ষক দিবস – ৫ই সেপ্টেম্বর । Teachers’ Day

National Teacher's Day

শিক্ষক দিবস (Teacher’s Day )

আজ ৫ই সেপ্টেম্বর। সারা ভারত জুড়ে পালন করা হয় শিক্ষক দিবস ( Teacher’s Day ) |

স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি ড: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন  (৫ই সেপ্টেম্বর, ১৮৮৮ – ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫) – এর জন্মবার্ষিকী প্রতিবছর ভারতে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। দেখে নেওয়া যাক ড: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন সম্পর্কীয় কিছু তথ্য –

ভারতে শিক্ষক দিবস প্রতিবছর ৫ই সেপ্টেম্বর পালন করা হয়। কিন্তু বিশ্ব শিক্ষক দিবস বা আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস সারা বিশ্ব জুড়ে পালন করা হয় ৫ই অক্টোবর

১. ড: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন ছিলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম উপরাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি।

২. ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দের ৫ই সেপ্টেম্বর তিনি তামিলনাডুর তিরুট্টানিতে এক দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতার নাম সর্বপল্লী বীরস্বামী এবং মাতার নাম সর্বপল্লী সীতা (সীতাম্মা )।
মাত্র ১৬ বছর বয়সে তাঁর বিবাহ হয় শিবকামুর সাথে।

৩. ১৯০৫ সালে তিনি মাদ্রাজ খ্রিস্টান কলেজ থেকে দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। তার বিষয়টি ছিল ‘বেদান্ত দর্শনের বিমূর্ত পূর্বকল্পনা’(The Ethics of the Vedanta and its Metaphysical Presuppositions)।

৪. ১৯৩১ সালে তাকে British knighthood-এ সম্মানিত করা হয়।

৫. ১৯৫৪ সালে তিনি ভারতরত্ন সম্মানে ভূষিত হন।

৬. প্রথম জীবনে তিনি মাইসোর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপনা করেন (১৯১৮)।

৭. রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর তার গুণমুগ্ধ ছাত্র ও বন্ধুরা তাঁর জন্মদিন পালন করতে চাইলে তিনি বলেন ‘জন্মদিনের পরিবর্তে ৫ই সেপ্টেম্বর যদি শিক্ষক দিবস উদ্‌যাপিত হয় তবে আমি বিশেষরূপে অনুগ্রহ লাভ করবো।’ ফলস্বরূপ ১৯৬২ সাল থেকে ৫ই সেপ্টেম্বর ভারতের শিক্ষক দিবস পালন করা হয়ে আসছে।

৮. তিনি ভারতের একমাত্র রাষ্ট্রপতি, যিনি রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন অসুস্থতার কারণে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে অংশ করতে পারেননি।

৯.  রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন তিনি প্রতিমাসে তার বেতনের ৭৫% দেন করে দিতেন প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিলে ।

১০. তিনি অন্ধ্র বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৩১-১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দ ) এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ে (১৯৩৯-১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দ ) ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে কাজ করেছেন ।

১১. ১৯৫৩-১৯৬২ সাল পর্যন্ত তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ছিলেন।

১২. তিনি ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দে টেম্পলটন পুরস্কার পেয়েছিলেন এর পুরস্কারের পুরো পরিমাণ অর্থ অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করেছিলেন।

১৩. তাঁর স্মরণে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় রাধাকৃষ্ণন চেভেনিং স্কলারশিপ (Radhakrishnan Chevening Scholarships )এবং রাধাকৃষ্ণন স্মৃতি পুরস্কার প্রদান করে।

১৪. বৃদ্ধদের জন্য তিনি “Helpage India” নামক একটি NGO প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

১৫. ১৭ই এপ্রিল, ১৯৭৫ সালে চেন্নাইয়ে তিনি মারা যান।

পুরস্কার এবং সম্মান

    • ১৯৩১ – নাইট উপাধিতে ভূষিত হন
    • ১৯৩৩-৩৭: পাঁচবার সাহিত্য বিভাগে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত হন
    • ১৯৩৮: ব্রিটিশ একাডেমীর ফেলো হিসেবে মনোনীত হন
    • ১৯৫৪: ভারত রত্ন সম্মানে ভূষিত হন
    • ১৯৫৪: জার্মানির কলা ও বিজ্ঞান বিভাগের সাম্মানিক পুরস্কার
    • ১৯৬১: German Book Trade প্রদত্ত শান্তি পুরস্কার
    • ১৯৬২: রাধাকৃষ্ণান কে সম্মান জানানোর জন্য ভারতবাসী ১৯৬২ সাল থেকে শিক্ষক দিবস পালন করা শুরু করে।
    • ১৯৬৩: ব্রিটেনের Order of Merit
    • ১৯৬৮: সাহিত্য একাডেমী পুরস্কার
    • ১৯৭৫: মৃত্যুর কিছুদিন আগে Templeton Prize

ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন -এর লেখা কিছু বিখ্যাত গ্রন্থ

  1. A Source Book in Indian Philosophy
  2. An Idealist View of Life
  3. Concept Of Man
  4. Eastern Religions and Western Thought
  5. Essentials of Psychology
  6. Faith Renewed
  7. Living with a Purpose
  8. Mahatma Gandhi
  9. Our Heritage
  10. Recovery of Faith
  11. Religion, Science and Culture
  12. The Dhammapada
  13. The Heart of Hindusthan
  14. The Hindu View of Life
  15. The Philosophy of Rabindranath Tagore
  16. The Pursuit of Truth
  17. The Reign of Religion in Contemporary Philosophy
  18. The religion we need

ড: সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন – এর কিছু বিখ্যাত উক্তি

আমার জন্মদিন আলাদাভাবে উদযাপন করার পরিবর্তে যদি  ৫ই সেপ্টেম্বর শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয় তাহলে আমি গর্বিত হওয়ার সুযোগ পাবো
(Instead of celebrating my birthday separately, it would be my proud privilege, if 5th September is observed as Teachers’ Day. )

জ্ঞান আমাদের শক্তি দেয়, ভালোবাসা আমাদের পরিপূর্ণতা দেয়।
(Knowledge gives us power, love gives us fullness, )

আনন্দ এবং সুখের জীবন কেবলমাত্র জ্ঞান এবং বিজ্ঞানের ভিত্তিতেই সম্ভব।
(A life of joy and happiness is possible only on the basis of knowledge and science. )

বই এর মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন সভ্যতা ও সংস্কৃতির মধ্যে মিল করতে পারি
(Books are the means by which we build bridges between cultures. )

আরো দেখে নাও :

বাংলা কুইজ – সেট ৯৩ – নেতাজি স্পেশাল

ভারত সম্পর্কে ২৫টি তথ্য যা আপনাকে গর্বিত করে তুলবে

বাংলা কুইজ – সেট ১৩১   বিশ্বকবি স্পেশাল

ভারতীয় মুদ্রা সম্পর্কিত কিছু জানা-অজানা তথ্য 

Related Articles

Back to top button
error: Alert: Content is protected !!