Bengali to EnglishTranslation

Bengali to English Translation – Series 3 ( PDF )

Bengali to English Translation for WBCS Mains

Bengali to English Translation – Series 3

[ Also CheckBengali to English Translation – Series 2 ( PDF ) ]

Bengali to English Translation for WBCS Mains.

Question : 9

9. গফুর কহিল, “দেরী করিসনে মা, চল। অনেকপথ হাঁটতে হবে।” আমিনা জল খাইবার ঘটি ও পিতার ভাত খাইবার থালাটি সঙ্গে লইতেছিল। গফুর নিষেধ করিল, “ওসব থাক মা। ওতে মহেশের প্রাচিত্তির হবে।”

অন্ধকার গভীর নিশীথে সে মেয়ের হাত ধরিয়া বাহির হইল। এ গ্রামে আত্মীয় তাহার ছিল না, কাহাকেও বলিবার কিছু নাই। আঙ্গিনা পার হইয়া পথের ধারে সেই বাবলা তলায় আসিয়া সে থমকিয়া দাঁড়াইয়া সহসা হু হু করিয়া কাঁদিয়া উঠিল, নক্ষত্রখচিত কালাে আকাশে মুখ তুলিয়া বলিল, “আল্লা আমাকে যত খুশি সাজা দিও, কিন্তু মহেশ আমার তেষ্টা নিয়ে মরেছে। তার চরে খাবার এতটুকু জমি কেউ রাখেনি, যে তােমার দেওয়া মাঠের ঘাস, তােমার দেওয়া তেষ্টার জল তাকে খেতে দেয়নি, তার কসুর তুমি যেন কখনও মাপ করােনা।”

Sample Solution

 Gofur said, “Don’t delay, my daughter; let us proceed. We shall have to walk a long distance”. Amina was about to take a drinking-water pot and her father’s rice plate with her; Gofur stopped her and said, “Leave these things here, my daughter. These would be used to expiate the death of Mahesh”.

Holding the hand of his daughter, he stepped out of his hut in the darkness of midnight. He had no relatives in the village and three was none to be informed. After crossing the courtyard, he abruptly halted under the familiar acacia tree by the side of the road and suddenly burst into tears. Lifting up his face towards the dark, starry sky, he said, “Oh God, punish me as much as you wish; but my Mahesh has died from unquenched thirst. Nobody has left even a small plot of land for him to graze. Please never forgive the crime of him who has deprived Mahesh of eating the grass and drinking the water gifted by you.”

[/spoiler]


[ Also CheckBengali to English Translation – Series 1 ]

Question : 10

10. স্কুল হইতে ফিরিয়া আসিয়া রাম সর্বাগ্রে তাহার গাছটি দেখিতে গিয়া একেবারে লাফাইয়া উঠিল। বই খাতা ছুঁড়িয়া ফেলিয়া দিয়া চিৎকার করিয়া উঠিল—“বৌদি, আমার গাছ? নারায়ণী রান্নাঘর হইতে বাহিরে আসিয়া বলিলেন—“বলছি এদিকে আয়।”
“না, যাব না, কই আমার গাছ?”
“এদিকে আয় না, বলছি”
রাম কাছে আসিতেই তিনি হাত ধরিয়া ঘরে লইয়া গিয়া কোলের উপর বসাইয়া মাথায় হাত বুলাইয়া বলিলেন—“মঙ্গলবারে কি অশ্বত্থাগাছ পুততে আছেরে?”
রাম শান্ত হইয়া জিজ্ঞাসা করিল “বেশ, কি হয়?”
নারায়ণী হাসিয়া বলিলেন- “তাহলে বাড়ীর বড়বৌ মরে যায় যে”।
রাম এক মুহূর্তে ম্লান হইয়া গিয়া বলিল—“যা ! মিছে কথা।”
নারায়ণীহাসিমুখে বলিলেন– “নারে, মিছেকথানয়,পাঁজিতে লেখা আছে।”
“কই পাঁজি দেখি।”

Sample Solution

On returning from school, Ram at first went to inspect his sapling and at once jumped up. He threw away his books and note-books and shouted, “Sister-in-law, where is my sapling ?” Narayanicame out of the kitchen and said, “Come to me, I shall tell you”.
“No, I shall not. Where is my sapling?”
“I am telling you to come to me”.
As soon as Ram came to her, she grasped his hand, took him inside the house, made him sit on her lap, patted his head and said, “A Peepal sapling should not be planted on a Tuesday”.
Ram calmed down and asked, “Why not? What’s the harm ?”
Narayani simled and said, “Then the seniormost daughter-in-law in the family dies”.
Instantly Ram became pale and said, “Rubbish ! you are telling a lie”.
Narayani smilingly said, “No, it is not a lie; it is written in the almanac”
“Let me have a look at the almanac”.[/spoiler]


[ Also CheckPrecis Writing – Rules, Dos &  Don’ts ]

Question : 11

11. পাঠশালায় পৌছাইয়া দিয়া হরিহর বলিল— “ছুটি হবার সময়ে আমি আবার এসে তােমাকে বাড়ী নিয়ে যাবাে, অপু। বসে বসে লেখাে, গুরুমহাশয়ের কথা শুনাে, দুষ্টুমি কোরাে না যেন।” খানিকটা পরে পিছন ফিরিয়া ক্রমে পথের বাঁকে অদৃশ্য হইয়া গেল। অ-কূল সমুদ্র। সে অনেকক্ষণ মুখ নিচু করিয়া বসিয়া রহিল। পরে ভয়ে ভয়ে মুখ তুলিয়া চাহিয়া দেখিল গুরুমহাশয় দোকানের মাচায় বসিয়া দাঁড়িতে সন্ধব লবন ওজন করিয়া কাহাকে দিতেছেন, কয়েকটি বড়বড় ছেলে আপন আপন চাটাইএ বসিয়া নানারূপ কুস্বর করিয়া কি পড়িতেছে ও ভয়ানক দুলিতেছে। তাহার অপেক্ষা আর একটু ছােট একটি ছেলে খুঁটিতে ঠেস দিয়া আপন মনে পাততাড়ির
তালপাতা মুখে পুরিয়া চিবাইতেছে। আর একটি বড় ছেলে, তাহার গালে একটা আঁচিল, সে দোকানের মাচার নীচে চাহিয়া কি লক্ষ্য করিতেছে।

After escorting him to the pathsala, Harihar said, “Apu, when the school breaks up, I shall come again to take you back home. Be attentive to your studies ; listen to your teacher, don’t be naughty”. After a while Apu looked back and saw his father gradually disappearing at the bend of the road. He found himself at sea and remained sitting for a long time with his head hung down. After sometime, he lifted up his head nervously and saw that the teacher, sitting on the shop- platform, was weighing rock-salt on the scale to sell it to a customer. Some senior boys, sitting on their respective palm-leaf mats, were reading something in a harsh voice and swinging violently. A younger boy, leaning against a pole, was unmindfully chewing a palm-leaf from the bundle of palm-leaves used for writing on. Another senior boy, with a mole on his cheek, was watching something under the shop-platform.

[ Also CheckPrecis Writing – Examples –  Series 1 ]

Question : 12

12. দীর্ঘদিন ধরিয়া আমি গলা ভাঙ্গিয়া চীৎকার করিয়া আসিতেছি যে অন্ন-সমস্যার সমাধান করিতে না পারিলে বাঙ্গালী জাতি বাঁচিবেনা। বাঙ্গালীযুবকের শােচনীয় শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতা দেখিয়া আমার কান্না পায়। বাঙ্গালার যুবকেরা উচ্চশিক্ষার খাতিরে নিজেদের স্বাস্থ্য ও যৌবন বলি দিয়া অকালে বৃদ্ধ হইয়া উঠিয়াছেন। তাহারা সামান্য কোন চাকুরীর খোঁজে জীবনের অর্ধেক সময়ের অপব্যয় করিতেছেন। যাহা কিছু একটা জুটাইয়া স্থিতিলাভ করিতে পারিলে তাহারা সােয়াস্তির নিশ্বাস ছাড়িয়া বাঁচেন। ব্যবসায়-বাণিজ্যের কথা খুব কম বাঙ্গালীই চিন্তা করেন। পরের দাসত্ব করার এই যে মনােবৃত্তি ইহাই বাঙ্গালীর অবনতির মূল কারণ।

I have been crying myself hoarse for a long time to emphasize that the Bengalis would not survive if they cannot solve their food problem. I feel like crying at the pathetic sight of the physical and mental weakness of the Bengali youth. The youth of Bengal are prematurely ageing by sacrificing their health and youth in the pursuit of higher education. They have been wasting half of their life in search of ill-paid jobs. They feel greatly relieved if they can somehow manage a job and settle down in life. Very few Bengalis think of engaging themselves in trade and commerce. This servile mentality is the root cause of backwardness of the Bengalis.

To check our latest Posts - Click Here

Telegram

Related Articles

দেখে নাও
Close
Back to top button
error: Alert: Content is protected !!